প্রথম পাইথন প্রোগ্রাম

টপিকটার নাম লেখার সময় জেমসের 'প্রথম স্পর্শ' গানটা খুব মনে পড়তেছিল। আসলেই প্রথম প্রেম, প্রথম স্পর্শ, প্রথম পাইথন প্রোগ্রাম কখনো ভোলা যায় না। যাহোক, আমরা আমাদের প্রথম পাইথন প্রোগ্রাম লিখব। আগের চাপ্টারে তো কোড লেখার জায়গা আমরা পেয়ে গেছি। তো আর অপেক্ষা কেন? চলুন সবাই মিলে শুরু করা যাক। প্রথমে পাইথন শেল ওপেন করি।

Python 3.5.2 (default, Sep 10 2016, 08:21:44) 
[GCC 5.4.0 20160609] on linux
Type "help", "copyright", "credits" or "license" for more information.
>>>

একটা জিনিস খেয়াল করেছি সবাই? >>> এরকম যে চিহ্নটা দেখছি, এর পাশেই মূলত একলাইন-একলাইন করে কোড লিখতে হবে। প্রতি লাইন কোডকে স্টেটমেন্ট বলে। >>> চিহ্নটার পাশে print("I am gonna be a Pythonist.") লিখে এন্টার চাপি। তাহলে ঠিক পরের লাইনেই I am gonna be a Pythonist. আউটপুট পাব।

Python 3.5.2 (default, Sep 10 2016, 08:21:44) 
[GCC 5.4.0 20160609] on linux
Type "help", "copyright", "credits" or "license" for more information.
>>> print("I am gonna be a Pythonist.")
I am gonna be a Pythonist.
>>>

আমরা এখানে একলাইনের একটা প্রোগ্রাম লিখেছি। >>> এর পাশে যে কোড লিখেছি তার নিচের লাইনে আউটপুট পেয়েছি। আউটপুট মানে যে কোড রান করালাম তার ফলাফল। প্রতি লাইন কোডকে স্টেটমেন্ট বলে। আমরা এখন আমাদের স্টেটমেন্টের ময়নাতদন্ত করব।

print("I am gonna be a Pythonist.")

এখানে দুইটা অংশ আছে : print() আর "I am gonna be a Pythonist."

প্রথম অংশটা হল ফাংশন। ফাংশনকে আমরা মেশিনের সাথে তুলনা করতে পারি, যেমন - ধান ভাঙার মেশিন। এই মেশিনের ভিতর ধান দিলে চাল বের হয়ে আসে। আর আমাদের এই print() মেশিন বা ফাংশনের ব্রাকেটের ভিতর কোন কিছুকে দিলে তা কম্পিউটারের স্ক্রীনে প্রিন্ট হয়। (আংশিক সত্য কথা) ফাংশন নিয়ে আমরা পরে আরো অনেক কথা বলব।

শেষ অংশটা হল স্ট্রিং। স্ট্রিং কি জিনিস? এক কথায় বলতে গেলে সিঙ্গেল কোট বা ডাবল কোটের ভিতরে যাই থাকে তাকেই স্ট্রিং বলে। স্ট্রিং হল টেক্সট বা কোন লেখা। ডাটা টাইপ নিয়ে কথা বলার সময় আমরা স্ট্রিং নিয়েও বিস্তারিত জানব। আপাতত দুঃখ পাবার কিছু নাই।

তো কি বুঝলাম? বুঝলাম print() ফাংশনের ভিতর যা দেব তাই স্ক্রীনে প্রিন্ট হবে। আরেকটা প্রোগ্রাম লেখা যাক:

>>> print("My name is Khan and I am not a terrorist.")
My name is Khan and I am not a terrorist.

মজা তাই না? আরো কিছু মজার জিনিস শিখি। আমাদের এই পাইথন শেলটা কিন্তু ক্যালকুলেটরের কাজটাও করতে পারে। যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, মডুলাস এসব টুকটাক কাজ আমরা হরহামেশাই তো করে থাকি। আজ করব পাইথন দিয়ে:

>>> 3+2
5
>>> 10-4
6
>>> 6*7
42
>>> 48/3
16.0
>>> 10%3
1
>>> 5 + (9 * 3)
32
>>> -13 + 5
-8

এভাবে চালিয়ে যেতে থাকি আমরা কি বলেন? জিনিস সামান্য কিন্তু প্রতিনিয়ত কোড লিখতে থাকলে একটা ভালবাসা আসবে পাইথনের প্রতি। পাশাপাশি হাতের টাইপিং জড়তাও কমবে। কি, সত্যি বললাম তো?

সহজ ভাষায় পাইথন ৩

বইটি পড়ার সময় প্রতিটি টপিক ধারাবাহিকভাবে বুঝে বুঝে পড়তে হবে এবং হাতে-কলমে অনুশীলন করতে হবে। কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে ফেসবুক গ্রুপ পাইথন বাংলাদেশে সমস্যাটি পোস্ট করতে পারেন। এখান থেকে অতি দ্রুত সাহায্য-সহযোগীতা পাবেন আপনি।

results matching ""

    No results matching ""